কত সালে সতীদাহ প্রথা রহিত করা হয়?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রহিত করা হয়।

371
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসকে ইমপিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়।

1k
উত্তরঃ

ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে নির্ধারিত তারিখে সূর্যাস্তের আগে সরকারি রাজস্ব পরিশোধে ব্যর্থ হলে ভূমি নিলামে তুলে বকেয়া আদায়ের যে কঠোর আইন ছিল, তাকে সূর্যাস্ত আইন বলে।
১৭৯৩ সালে সূর্যান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। এ আইন অনুযায়ী জমিদারদের নির্দিষ্ট দিনে সূর্যাস্তের আগে সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করতে হতো। যেসব জমিদার ঐ সময়ের মধ্যে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হতেন, তাদের জমিদারি নিলামে তোলা হতো। সূর্যান্ত আইনের কবলে পড়ে বাংলার অসংখ্য জমিদার, বিশেষ করে মুসলমান ভূস্বামীরা তাদের জমিদারি হারান

803
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের নিয়ামক আইন বা রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর প্রতিফলন ঘটেছে।
দ্বৈতশাসনের কারণে সৃষ্ট জটিলতা ও ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের ফলে বাংলায় ব্যাপক মানবীয় বিপর্যয় ঘটে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীরা আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়। তারা কোম্পানিকে দেউলিয়াত্বের পর্যায়ে নিয়ে যায়। এরপর ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ওয়ারেন হেস্টিংসকে বাংলার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। তার দায়িত্ব ছিল এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটানো। ১৭৭৩ সালে তিনি 'নিয়ামক আইন' প্রণয়ন করেন, যা কোম্পানিকে ভারতের শাসক হিসেবেও স্বীকৃতি দেয়। মূলত এ আইনটি ছিল কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্য সম্পর্কে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও কোম্পানি কর্তৃপক্ষের মধ্যকার একটি আপোস রক্ষামূলক ব্যবস্থা।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কোম্পানি পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠার সময় কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে বেশ কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইনটি কোম্পানির ব্যবসা বৃদ্ধিতে সহায়ক হলেও ত্রুটিপূর্ণ ছিল।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের নিয়ামক আইনেরই প্রতিফলন ঘটেছে

355
উত্তরঃ

উক্ত আইন অর্থাৎ নিয়ামক আইনের ত্রুটি বিশ্লেষণসহ আমার মতামত
নিম্নরূপ-
প্রথমত, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এ আইনের মাধ্যমে কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্যের ওপর সার্বস্ট্রেীম ক্ষমতা স্থাপন করতে চেয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। কেননা, এ আইনে সার্বভৌমত্ব কার্যকর করার জন্য কোনো এজেন্সি গঠনের প্রস্তাব করা হয়নি।

দ্বিতীয়ত, এ আইনের দ্বারা মাদ্রাজ ও বোম্বাই প্রেসিডেন্সির ওপর কলকাতা প্রেসিডেন্সির কর্তৃত্ব স্থাপন করা হয়। কিন্তু কর্তৃত্বের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট না থাকায় পরবর্তীতে বহু জটিলতার সৃষ্টি হয়।
তৃতীয়ত, গভর্নর জেনারেল ও তার পরিষদের কর্তৃত্বের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট না হওয়ার সুযোগে মাদ্রাজ ও বোম্বাই প্রেসিডেন্সি স্বাধীনভাবে চলতে চেষ্টা করে। এর ফলে বাংলা প্রেসিডেন্সির সাথে মতবিরোধ দেখা দেয়।
চতুর্থত, গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাউন্সিলের সদস্যবর্গ এবং সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতির নিয়ন্ত্রণ ছিল। এতে শাসনকার্যে অনেক অসুবিধার সৃষ্টি হয়।
পঞ্চমত, ভারতে ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর সুপ্রিমকোর্টের এখতিয়ার স্থাপন করা হলেও এ আইনে ব্রিটিশ নাগরিকদের সংজ্ঞা সুনির্দিষ্ট না 'হওয়ায় কোর্টের সাথে কাউন্সিলের সদস্যদের নানা বিষয়ে মতানৈক্য দেখা যায়।
ষষ্ঠত, সেসময় সুপ্রিমকোর্ট ইংল্যান্ডের আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনা করতো। অপরদিকে, গভর্নর জেনারেল ও তার কাউন্সিল ভারতীয় আইন দ্বারা সদর দেউয়ানি আদালত ও সদর নিজামত আদালতগুলোতে বিচারকার্য চালাতো। ফলে আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নিয়ামক আইনের উদ্দেশ্য মহৎ ছিল, কিন্তু এ আইনের সৃষ্ট ব‍্যবস্থা ছিল ত্রুটিপূর্ণ।

219
উত্তরঃ

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য স্থাপনে যেসব গভর্নর জেনারেল অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন, লর্ড ওয়েলেসলি তাদের অন্যতম। তিনি নতুন ইংরেজ কর্মচারীদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব করেন। কিন্তু বোর্ড অব ডাইরেক্টরস তার এ পরিকল্পনা অনুমোদন না করায় পরে তা ভারতীয় ভাষা শিক্ষার কলেজে পরিণত হয়।

596
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জনাব আজমলের ভূমি ব্যবস্থাপনার সাথে ইংরেজ অমলের লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সামঞ্জস্য রয়েছে। ওয়ারেন হেস্টিংসের পরে ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলার গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হয়ে আসেন। লর্ড কর্নওয়ালিস ওয়ারেন

হেস্টিংস কর্তৃক ভূমি ব্যবস্থাপনার অসুবিধাগুলো লক্ষ করেন এবং যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো অসুবিধার সৃষ্টি না হয়, সে জন্য কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ খ্রিষ্টাব্দে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসে এ ব্যবস্থাই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। এর আগে হেস্টিংসের আমলে পাঁচসালা ও একসালা বন্দোবস্ত চালু ছিল। এরূপ অস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে সরকার, জমিদার ও প্রজা সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। এ অসুবিধা দূর করার জন্য কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মহাপরিচালক নিযুক্ত হয়ে জনাব আজমল ভূমি ব্যবস্থাপনার অসুবিধাগুলো দূর করার লক্ষ্যে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন, যা কোম্পানি আমলের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ

334
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews